ভূমিকা পবিত্র কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ আয়াতগুলোর মধ্যে আয়াতুল কুরসি অন্যতম। এটি সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত। এই আয়াতে আল্লাহ তাআলার একত্ব, অসীম ক্ষমতা, জ্ঞান, মহত্ত্ব এবং আসমান-জমিনের ওপর তাঁর পূর্ণ কর্তৃত্বের কথা বর্ণনা করা হয়েছে। অনেক মুসলমান প্রতিদিন ফরজ নামাজের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়েন। কিন্তু আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত সহিহ হাদিসে কীভাবে বর্ণিত হয়েছে , কখন এটি পড়া উত্তম এবং এর সঙ্গে কোন আমলগুলো সম্পর্কিত—এসব বিষয় জানা জরুরি। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে আয়াতুল কুরসির বিশেষ মর্যাদা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য বর্ণনা রয়েছে। সহিহ বুখারিতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত এবং সহিহ মুসলিমে এটিকে কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই আর্টিকেলে কোরআন ও হাদিসের নির্ভরযোগ্য সূত্রের আলোকে আয়াতুল কুরসির ফজিলত, পড়ার সময়, অর্থ এবং এ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো। আরো পড়ুন শবে বরাতের নামাজ পড়ার নিয়ম ও দোয়া আয়াতুল কুরসি কী? আয়াতুল কুরসি হলো পবিত্র কোরআনের সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্ব...
ভূমিকা ইসলামে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়া হলো আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। শাবান মাসের ১৫তম রাতকে আমাদের উপমহাদেশে সাধারণত শবে বরাত (Shab e Barat) নামে পরিচিত করা হয়। এ রাতকে ঘিরে অনেক মুসলমান নফল নামাজ পড়েন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান এবং নিজেদের ও পরিবারের জন্য দোয়া করেন। তবে শবে বরাতের নামাজ নিয়ে মানুষের মনে কিছু প্রশ্ন রয়েছে। যেমন—শবে বরাতের নামাজ কত রাকাত? কীভাবে নিয়ত করতে হয়? নির্দিষ্ট কোনো সূরা পড়তে হয় কি? ১০০ রাকাত নামাজ পড়ার নিয়ম কি সহিহ হাদিসে আছে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানার আগে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার: শবে বরাতের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাত, নির্দিষ্ট সূরা কিংবা বিশেষ পদ্ধতিতে নামাজ পড়ার নির্দেশ সহিহ হাদিসে সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়। তবে সাধারণ নফল নামাজ পড়া, কোরআন তিলাওয়াত করা, জিকির করা এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করা স্বীকৃত ইবাদত। ১৫ শাবানের রাতের বিশেষ ফজিলত সম্পর্কেও আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই নির্ভরযোগ্য তথ্য জেনে আমল করা উচিত। এই আর্টিকেলে Shab e Barat Namaz পড়ার সাধারণ নিয়ম, নিয়ত, দোয়া, প্রচলিত আমল এবং গুরুত্বপূর্...